• ঢাকা
  •    সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৫২ পিএম


নবীগঞ্জে পাওনা টাকা ফেরত চাওয়ায় হামলার শিকার ভুক্তভোগী এক পরিবার, সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ

আপডেট টাইম: October 16, 2024 10:24 pm




নবীগঞ্জে পাওনা টাকা ফেরত চাওয়ায় হামলার শিকার ভুক্তভোগী এক পরিবার। সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ। বুধবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার আউশকান্দি বাজারে নবীগঞ্জ নিউ প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ঐ অভিযোগ জানানো হয়।

ভুক্তভোগী ঐ দিনমজুরের নাম সুহেনা বেগম (৩৫)। সে জগন্নাথপুর উপজেলার ৯নং পাইলগাও ইউনিয়নের সমররগাঁও গ্রামের নুর মিয়ার স্ত্রী।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগী সুহেনা বেগম বলেন, গত জুলাই ২০২৪ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নবীগঞ্জ ক্যাম্পে ব্যবসায়ীক ৫০ হাজার টাকা ফেরত পাওয়ার প্রসঙ্গে নবীগঞ্জ থানার ২নং বড় ভাখৈর ইউনিয়নের ছোট ভাখৈর গ্রামের খালিছ মিয়া, সরাজ মিয়া, বজলু মিয়া, বিরাম উদ্দিন গংদের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে সেনাবাহিনী ক্যাম্পে উভয় পক্ষ হাজির হয়ে স্বাক্ষী প্রমান শেষে ৫০ হাজার টাকা ফেরত দেওয়ার রায় প্রদান করেন সেনা ক্যাম্পে দায়িত্বরতরা।

এই প্রেক্ষিতে বিবাদী পক্ষ ৩০ হাজার টাকা বাদী পক্ষ সুহেনা বেগমকে প্রদান করেন। এবং বাকী পাওনা ২০ হাজার টাকার জন্য কিছু দিনের সময় চান। এমতাবস্থায় সময় অতিবাহিত হওয়ার পরেও সুহেনা বেগম বাকী পাওনা টাকা ফেরত চাইতে গেলে টাকা পরিশোধ করবেনা বলে বিবাদী পক্ষ তাহাকে বিভিন্ন হুমকি-ধামকি দেয়।

এক পর্যায়ে বাদী আবারও সেনাবাহিনীর নিকট গেলে সেনাবাহিনী বিষয়টি নবীগঞ্জ থানাকে সমাধানের জন্য নির্দেশ প্রদান করেন। এরই প্রেক্ষিতে গত ৩ অক্টোবর ২০২৪ ইংরেজী তারিখে উভয় পক্ষ থানায় হাজির হলে থানার এএসআই রুহুল আমিন উভয় পক্ষকে নিয়ে আলোচনা করেন। এক পর্যায়ে বিবাদী পক্ষকে অক্টোবর মাসের ৫ তারিখে টাকা নিয়ে হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন। এ সময় বিবাদী পক্ষ সুহেনার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে থানার বাহিরে গেলেই বুঝতে পারবে বলে হুমকি প্রদান করে। পরে সুহেনা বেগম ও তার স্বামী কোন রকম ঐ দিন বাড়িতে পৌঁছায়। এভাবে বিবাদী পক্ষ গং বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি দিতে থাকে।

পরে সুহেনা বেগম নবীগঞ্জ থানায় নির্ধারিত ৫ তারিখে হাজির হওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হলে কাজিরবাজার আসা মাত্রই পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ওৎ পেতে থাকা বিবাদীগণ সুহেনা বেগমের স্বামী নুরুল হককে (৪৫) এলোপাতারি মারধর করে রাস্তায় ফেলে রেখে যায়। এ সময় পথচারীরা তার সুহেনা বেগমকে খবর দিলে তিনি এলাকাবাসীর সহযোগীতায় ঘটনাস্থল থেকে তোহার স্বামীকে উদ্ধার করে নবীগঞ্জ হাসপাতাল নিয়ে যান। এ সময় তার স্বামীর অবস্থার আশঙ্খাজন দেখা দিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরল করেন।

বর্তমানে সুহেনা বেগম জানান- বিবাদী পক্ষ গং প্রভাবশালী হওয়াতে ও সু-বিচার না পাওয়াতে এলাকায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এ ব্যাপারে তিনি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সু-বিচার নিশ্চিতের দাবীতে ও জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নিকট সুবিচার কামনা করেছেন।