

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে অপহরণের পর একটি বাসায় আটকে রেখে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন। মামলার পর বুধবার অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন শ্রীমঙ্গলের ইছবপুর এলাকার দুলাল মিয়া (৩১), হবিগঞ্জ সদর উপজেলার চানপুর গ্রামের মো. জুয়েল মিয়া ওরফে সোহেল (২৬) এবং একই উপজেলার রিটি গ্রামের আল আমিন ইসলাম (২০)। তাঁরা শ্রীমঙ্গলে ভাড়া বাসায় থাকতেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে শ্রীমঙ্গল পৌরসভার উকিল বাড়ি রোড এলাকায় কাজ শেষে বাড়ি ফিরছিল ওই কিশোরী। এ সময় সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে কয়েকজন তাঁর পথরোধ করে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যান। পরে তাঁকে শ্রীমঙ্গল সদর ইউনিয়নের ইছবপুর এলাকায় দুলাল মিয়ার ভাড়া বাসায় আটকে রাখা হয়।
এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, ওই বাসায় শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা থেকে পরদিন সকাল সাতটা পর্যন্ত আসামিরা কিশোরীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় রোববার সকাল নয়টার দিকে তাঁকে শ্রীমঙ্গল রেলস্টেশনে ফেলে রেখে তাঁরা চলে যান।
খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা রেলস্টেশন থেকে কিশোরীকে উদ্ধার করে শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের গাইনি বিভাগে চিকিৎসাধীন।
শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরকার আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, এ ঘটনায় মামলা হওয়ার পর অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
