• ঢাকা
  •    সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:০৪ এএম


অভিযোগের তদন্ত চলার মধ্যেই মোগলাবাজার থানার ওসি প্রত্যাহার

আপডেট টাইম: September 2, 2026 4:33 pm



ডেস্ক রিপোর্ট: 

সিলেট মহানগর পুলিশের মোগলাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনির হোসেনকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, অধস্তন পুলিশ সদস্যদের মানসিকভাবে নির্যাতন ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের তদন্ত চলমান থাকার মধ্যেই তাঁকে থানা থেকে সরিয়ে দেওয়া হলো।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. সারোয়ার মূর্শেদ শামীমের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে মনির হোসেনকে প্রত্যাহারের বিষয়টি জানানো হয়। তবে তাঁর স্থলে মোগলাবাজার থানায় এখনো কাউকে দায়িত্ব দেওয়া হয়নি।

ওসি মনির হোসেনকে প্রত্যাহারের কারণ জানতে চাইলে পুলিশ কমিশনার মো. সারোয়ার মূর্শেদ শামীম বলেন, ‘প্রশাসনিক কারণে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রশাসনিক কারণেই তাঁকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।’

তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশ কমিশনার বলেন, ‘ওই অভিযোগগুলোর তদন্ত চলমান আছে।’

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, মোগলাবাজার থানায় দায়িত্ব পালনকালে মনির হোসেনের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, অধস্তন পুলিশ সদস্যদের মানসিকভাবে নির্যাতন এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত চলছে। ফলে অভিযোগগুলো এখনো প্রমাণিত নয়।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর মনির হোসেন সিলেট মহানগর পুলিশের শাহপরান থানার ওসি হিসেবে দায়িত্ব নেন। পরে তাঁকে মোগলাবাজার থানায় বদলি করা হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের এক আদেশে তাঁকে মোগলাবাজার থানার ওসি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।

মোগলাবাজার থানায় দায়িত্ব পালনকালে তাঁকে ঘিরে বিভিন্ন অভিযোগ ও সমালোচনা সামনে আসে। এরই মধ্যে অভিযোগগুলোর তদন্ত চলমান থাকা অবস্থায় তাঁকে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হলো।

তবে ঠিক কোন প্রশাসনিক কারণে তাঁকে প্রত্যাহার করা হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ কমিশনার বিস্তারিত কিছু জানাননি। একইভাবে তাঁর বিরুদ্ধে চলমান তদন্তের অগ্রগতি এবং তদন্ত শেষে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে, সে বিষয়েও পুলিশের পক্ষ থেকে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

ফলে অভিযোগের তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই একজন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের পেছনে কী প্রশাসনিক বিবেচনা কাজ করেছে- এ প্রশ্নের উত্তর এখনো স্পষ্ট হয়নি।