• ঢাকা
  •    সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৪৩ পিএম


নবীগঞ্জে জলবায়ু সহনশীল পানি ব্যবস্থাপনায় নতুন দিগন্ত: এলজিইডি প্রতিনিধিদলের সরেজমিন পরিদর্শন

আপডেট টাইম: November 18, 2025 12:56 am



জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সারা দেশে টেকসই পানি ব্যবস্থাপনা ও খাল পুনঃখনন কার্যক্রম শুরু করেছে সরকার। তারই অংশ হিসেবে নবীগঞ্জের দীঘলবাক ইউনিয়নের দরবেশপুর, দাউদপুর, বোয়ালজুর, কারখানা ও বহরমপুর- এই পাঁচ মৌজার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত প্রাচীন হাকানী খাল পুনঃখনন এবং পরিবেশবান্ধব উন্নয়নের উদ্যোগ বাস্তবায়নের পথে অগ্রসর হচ্ছে।

সোমবার (১৭ নভেম্বর) দুপুরে প্রকল্প অনুমোদনের লক্ষ্যে এলজিইডি মন্ত্রণালয়ের একটি বিশেষজ্ঞ প্রতিনিধি দল সম্ভাব্য প্রকল্প এলাকা সরেজমিন পরিদর্শন করেন। তারা ‘জলবায়ু ও দুর্যোগ সহনশীল ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রকল্প’-এর আওতায় প্রস্তাবিত কার্যকারিতা বৃদ্ধি উপ-প্রকল্পের বিভিন্ন সম্ভাবনা ও প্রয়োজনীয় দিকগুলো বিশদভাবে মূল্যায়ন করেন।

পরিদর্শন শেষে প্রতিনিধি দল এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি- হাকানী খাল পুনঃখনন, পানি ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি, বর্ষায় জলাবদ্ধতা নিরসন, কৃষি উৎপাদন উন্নয়ন এবং পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার বিষয়ে একমত পোষণ করেন। স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করে বলেন, “এই প্রকল্প অনুমোদন হলে বহু বছরের দুশ্চিন্তা দূর হবে, কৃষি ও মৎস্য উৎপাদনে আসবে নতুন সম্ভাবনা।”

এ সময় প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন- পানি বিশেষজ্ঞ ও ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার মোঃ সাইফ হোসেন, কৃষি বিশেষজ্ঞ এমডি ওমর ফারুক, মৎস্য বিশেষজ্ঞ শংকর চন্দ্র সূত্রধর, পরিবেশ বিজ্ঞানী ড. কাবিল হোসেন, হবিগঞ্জ এলজিইডির সহকারী প্রকৌশলী (জাইকা-২) মোঃ সরওয়ার আলম, উপ-সহকারী প্রকৌশলী দীপ দেব, নবীগঞ্জ এলজিইডি উপ-সহকারী প্রকৌশলী আব্বাস উদ্দীন আহমেদ, উপ-সহকারী প্রকৌশলী আমিনুল ইসলাম, আতিকুল ইসলাম ও কমিউনিটি অর্গানাইজার মোঃ সিরাজ মোল্লা।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন- জলবায়ু পরিবর্তন পাঁচ মৌজা সমবায় সমিতির আহ্বায়ক কমিটির নেতা আব্দুল বাহার, ফখরুল ইসলাম, এনামুল মিয়া, ক্ষিতেশ সূত্রধর, আতাউর রহমান, এলাইছ মিয়া, স্বপন সূত্রধর, মোঃ সোহেল মিয়া, বরদা সরকার, মিলি বেগম, লিলি আক্তার ডলি, সিপন রানী সূত্রধর, তাহেরা বেগম, অর্চনা রানী সরকারসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

এলাকাবাসীর মতে, দীর্ঘদিন অবহেলিত এই খালটির পুনর্জাগরণ হলে শুধু পানি প্রবাহই ফিরবে না- বরং তৈরি হবে জলবায়ু সহনশীল পরিবেশ, উন্নত হবে কৃষিজ উৎপাদন, বাড়বে জীববৈচিত্র্য এবং টেকসই উন্নয়নের নতুন দিগন্ত খুলবে। এদিকে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এলজিইডির ইতিবাচক মূল্যায়ন পাওয়ায় প্রকল্পটি শিগগিরই অনুমোদনের উজ্জ্বল সম্ভাবনা।