

লাখাই উপজেলার মুড়িয়াউক ইউনিয়নের মুড়িয়াউক হইতে কাশিমপুর এলাকা পর্যন্ত প্রায় ১ কিলোমিটার রাস্তার বেহাল দশা হয়েছে। এমনকি রাস্তার দুটি কালভার্ট ভেঙে গিয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছে ৩ গ্রামবাসীর কয়েক হাজার মানুষ। রাস্তার অবস্থার জন্য ব্যহত হচ্ছে তিন গ্রামের যোগাযোগ সম্পর্ক।
সরেজমিনে গেলে স্থানীয়রা জানান, মুড়িয়াউক উচ্চ বিদ্যালয়ে কাশিমপুর, নকলাউক থেকে শিক্ষার্থীরা এই রাস্তা দিয়েই আসতে হয়। একটু বৃষ্টিপাত হলেই আর সড়ক দিয়ে হেটে আসা সম্ভব হয় না।
বৃষ্টি নামলেই সড়কে কাদামাটির সৃষ্টি হয়। কাদামাটি পেরিয়ে বিদ্যালয়ে বাইসাইকেল নিয়ে প্রবেশ করা কষ্টকর, তার উপর আবার রাস্তার মাঝে দুটি কালভার্ট ভাঙা। এতে কোনো অবস্থাতেই গাড়ী এমন কি মোটরসাইকেল গ্রামে প্রবেশ করতে পারে না। বর্ষাকাল এলে শিক্ষার্থীরা কাপড় কাদামাটি, পানিতে না ভিজিয়ে পার হতে পারে।
সড়কের বেহাল দশার জন্য মুড়িয়াউক উচ্চ বিদ্যালয়ে ছেলেমেয়েরা সহজে লেখাপড়া করতে আসে না। অনেক শিক্ষকও স্কুল থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়।
স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন- আমরা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি সহ সকলের কাছে আমাদের দাবির কথা বলেছি। সবাই আশাভরসা দিলেও কাজের কাজ কিছুই করেন নাই। এক কিলোমিটার কাঁচা রাস্তার জন্য প্রতিনিয়ত নানা সমস্যায় পড়তে হয় পথচারীদের। তবে রাস্তার মধ্যে ২টি কালভার্ট গত প্রায় ৩ থেকে ৪ বছর আগে ভেঙ্গে যাওয়ায় এতে করে মাঝেমধ্যেই পথচারীরা দুর্ঘটনার স্বীকার হচ্ছে বলে দ্রুত সড়ক ও কালভার্টের সমস্যা সমাধানের দাবী জানান।
পথচারী ছাত্রদল নেতা রবিউল হাসান রবি বলেন,আমি কাশিমপুর যাবার জন্য মুড়িয়াউক কাশিমপুর রাস্তা দিয়ে মোটরসাইকেল নিয়ে গিয়েছিলাম, কোনরকম রাস্তা কিছুটা গেলে কালভার্ট ভাঙার কারণে মোটরসাইকেল নিয়ে বিপাকে পড়ে যাই।ফলে কোনরকম রাস্তা থেকে নেমে ধানের জমি দিয়ে আমাকে আসতে হয়।
এ বিষয়ে মুড়িয়াউক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নোমান সারোয়ার জনি বলেন, এটা এলজিডির আইডিভুক্ত রাস্তা। তবে এই রাস্তায় কোন ধরনের বরাদ্দ না থাকায় আপাতত এই রাস্তাযর কোনো ধরনের কাজ করতে পারতেছি না।
