

সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার খছরুপুর-শেরপুর নতুন বাজার এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ছয় লেন উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় জমি অধিগ্রহণ ও উচ্ছেদ কার্যক্রমে ন্যায্য ক্ষতিপূরণ না পাওয়ার দাবিতে মতবিনিময় সভা করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও দোকানদাররা।

মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) দুপুর ২টায় শেরপুর নতুন বাজারে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সৈয়দ হুমায়েল এর সঞ্চালনায় ব্যবসায়ীদের পক্ষে উপস্থিত বক্তব্য রাখেন- শাহ এহিয়া, সৈয়দ সামিম মুনিম, শাহ্ ইসমাইল মেম্বার, তোফায়েল আহমদ, মোঃ আবুল কালাম, মোঃ আব্দুর রহমান, মোঃ সুহেল আহমদ, মাওলানা মাহবুবুল বারী, মোঃ ফয়েজ আহমেদ, মোঃ শফি মিয়া, মোঃ মুকিদ মিয়া, সৈয়দ আরিফ রব্বানী, সৈয়দ রহমানী প্রমুখ।
এতে সভায় উপস্থিত ক্ষতিগ্রস্তদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামীকাল বুধবার সকাল ১০টায় মানববন্ধন কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছে।

সভায় বক্তারা জানান, শেরপুর নতুন বাজারে অবস্থিত ভুক্তভোগী দোকান মালিক, ব্যবসায়ী ও কর্মচারীরা দীর্ঘদিন ধরে ক্ষতিপূরণের আশায় অপেক্ষা করছেন। সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়া হলেও ক্ষতিপূরণের অর্থ খণ্ড খণ্ডভাবে প্রদান করা হয়েছে। এতে অনেক দোকান মালিক, ব্যবসায়ী ও কর্মচারী এখনো ক্ষতিপূরণের টাকা পাননি।
তারা আরও জানান, ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে অনেক দোকান মালিক বর্তমানে প্রবাসে অবস্থান করছেন। প্রবাসে থাকা মালিকরা স্টাম্পের মাধ্যমে প্রতিনিধিকে চেক গ্রহণের অনুমতিপত্র প্রদান করলেও সংশ্লিষ্টদের ক্ষতিপূরণের টাকা এখনো দেওয়া হয়নি। একইভাবে দেশে অবস্থানরত অনেক দোকান মালিক ও ব্যবসায়ীও ক্ষতিপূরণের অর্থ থেকে বঞ্চিত রয়েছেন।

ভুক্তভোগীরা বলেন, যেসব দোকান মালিক ক্ষতিপূরণের টাকা পেয়েছেন তারা ইতোমধ্যে স্থাপনা অপসারণের কাজ শুরু করেছেন। আমরাও ক্ষতিপূরণের টাকা ও পুনর্বাসন সহায়তা পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্থাপনা অপসারণে সহযোগিতা করব। তবে ক্ষতিপূরণ না দিয়ে উচ্ছেদ কার্যক্রম চালানো হলে তা চরম অবিচার হবে।
এ বিষয়ে ন্যায্য ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের দাবিতে সিলেটের জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত আবেদন জানানো হয়েছে বলেও সভায় উল্লেখ করা হয়। ক্ষতিগ্রস্তরা অবিলম্বে তাদের প্রাপ্য ক্ষতিপূরণ প্রদান ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কর্তৃপক্ষের সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
