• ঢাকা
  •    সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৪৪ পিএম


কুলাউড়ায় দেশীয় অস্ত্র ও লুণ্ঠিত মালামালসহ ডাকাত দলের ৪ সদস্য গ্রেফতার

আপডেট টাইম: January 12, 2026 5:45 pm




ক্রিয়েটিভ নিউজ ডেস্ক : মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়ায় সশস্ত্র ডাকাতির ঘটনায় পুলিশের তাৎক্ষণিক অভিযানে ডাকাত দলের চার সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযানে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি মাইক্রোবাস, লুটকৃত একটি মোটরসাইকেল, নগদ টাকা, মোবাইল ফোন, মানিব্যাগসহ বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন—

১) কুলাউড়া উপজেলার ০৬নং কাদিপুর ইউনিয়নের মনসুর গ্রামের জুবেল আহমেদ ওরফে জুবলা (৩৩),

২) ০৫নং ব্রাহ্মণবাজার ইউনিয়নের দাউদপুর গ্রামের মো. দেলোয়ার হোসেন (২৯),

৩) ০৪নং জয়চন্ডী ইউনিয়নের ঘাগটিয়া-কোঁটাগাঁও এলাকার মো. নাজিম মিয়া (২৫) এবং

৪) সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক থানার নরাই বাজার এলাকার মো. জাকির হোসেন (৩২)।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রবিবার দিবাগত রাত (১২ জানুয়ারি ২০২৬) আনুমানিক রাত ২টা ৫০ মিনিটে কুলাউড়া থানাধীন ০৬নং কাদিপুর ইউনিয়নের হোসেনপুর গ্রামের বাগানবাড়ি সংলগ্ন পাকা রাস্তায় মো. লাল মিয়া (৪২) নামের এক ব্যক্তি দোকান বন্ধ করে মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি ফেরার পথে একদল সশস্ত্র ডাকাত তার পথরোধ করে। ডাকাতরা লোহার রড ও ধারালো ছুরি দেখিয়ে তাকে মারধর করে একটি মোবাইল ফোন, নগদ ৫ হাজার ৬০০ টাকা সম্বলিত মানিব্যাগ এবং একটি Bajaj CT100 মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নেয়। পরে তারা একটি সাদা ও মেরুন রঙের মাইক্রোবাসযোগে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

খবর পেয়ে কুলাউড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আজমল হোসেনের নেতৃত্বে কুলাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুজ্জামান মোল্লাসহ পুলিশের একটি দল দ্রুত অভিযান পরিচালনা করে। কাদিপুর ইউনিয়নের চুনঘর এলাকায় একটি সাদা ও মেরুন রঙের মাইক্রোবাস আটক করে চার ডা/কা/ত/কে গ্রে/ফ/তা/র করা হয়।

 

উদ্ধারকৃত আলামতের মধ্যে রয়েছে— একটি কালো মানিব্যাগসহ নগদ ১ হাজার ৬১০ টাকা, একটি Bajaj CT100 মোটরসাইকেল, চারটি ধারালো ছুরি, একটি লোহার পাইপ, একটি লোহার রড, একটি প্লাস এবং ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত মাইক্রোবাস।

এ বিষয়ে কুলাউড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আজমল হোসেন জানান, গ্রেফতারকৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অপর এক ডাকাতকে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তিনি আরও জানান, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে জুবেল আহমেদ, দেলোয়ার হোসেন ও নাজিম মিয়ার বিরুদ্ধে পূর্বে ডাকাতি ও চুরির একাধিক মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।