• ঢাকা
  •    রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১২:২৭ এএম


দর্শনার্থী হয়রানি প্রতিরোধে মৌলভীবাজার কারা কর্তৃপক্ষের গণশুনানী

আপডেট টাইম: October 23, 2024 8:09 pm




মৌলভীবাজার কারাগারে ধারণ ক্ষমতার দ্বিগুণ কয়েদী ও হাজতী গাদাগাদি করে বসবাস করতে হচ্ছে। তাদের সাথে দেখা করতে প্রতিদিন শতশত স্বজন কারাগার প্রাঙ্গণে ভিড় করেন। আগুন্তুকরা জেল গেইটে কোন হয়রানির শিকার হউন কিনা এর সত্যতা নিরূপণে মাসে ৪ দিন গণশুনানীর আয়োজন করে থাকেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। জেলা কারাগার কর্তৃপক্ষের এ উদ্যোগ সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

সরেজমিন দেখা যায়, মৌলভীবাজার জেলা কারাগারের মূল ফটকের কাছে দর্শনার্থী বসার কক্ষে ২৩ অক্টোবর বুধবার সকাল ১১টার দিকে ১২-১৩ জন নারী-পুরুষ কারাগারে থাকা তাদের স্বজনের সাথে দেখা করার জন্য অপেক্ষা করছেন। তাদের সাথে কথা বলছেন জেল সুপার মো. মুজিবুর রহমান মজুমদার ও ডেপুটি জেলার তানিয়া ফারজানা। তাদের পারস্পারিক আলোচনার বিষয় ছিল কারা ফটকে আসা দর্শনার্থীরা কর্তব্যরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দ্বারা হয়রানির শিকার কিংবা আত্মীয় স্বজনের সাথে দেখা করতে কেউ টাকা নেয় কিনা। আগুন্তক প্রত্যেকে তাদের মতামত ব্যক্ত করে জানান গণশুনানীর ব্যবস্থা হওয়ায় সহজে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ দেওয়ার বিষয়টি সহজ হয়েছে। এতে স্বচ্ছ ভাবে আইন মেনে কার্যক্রম চলছে বলে অনেকে জানান।

সদর উপজেলার সোনাপুর (বড় বাড়ি) এলাকার মিতা বেগম (৩৫), শ্রীমঙ্গলের পাচাউন গ্রামের পর্তিঙ্গা বেগম (২৪) হাজতে থাকা তাদের ভাইদের সাথে দেখতে করতে আসেন বুধবার সকালে। তারা ক্রিয়েটিভ নিউজকে জানান সুশৃংখল ভাবে কোন প্রকার হয়রানি ছাড়া তারা স্বজনের সাথে দেখা করতে পারেন। এছাড়া কারাগারের ভেতরে ক্যান্টিনে আলাদা খাবারে জন্য পিসিতে দেওয়া টাকা ও প্রদান করা ভোগ্য সামগ্রী সঠিক ভাবে নির্ধারিত ব্যক্তিকে দেওয়া হয়।

মৌলভীবাজার জেলসুপার মো. মুজিবুর রহমান মজুমদার জানান সপ্তাহের প্রতি সোমবার দর্শনার্থীদের উপস্থিতিতে গণশুনানী করা হয়। এতে কারা কর্তৃপক্ষের কেউ অনিয়ম করলে শুনানীতে ওঠে আসে। এ ভয়ে কেউ দর্শনার্থীদের সাথে অসদাচরণ করে না। স্বচ্ছ ভাবে দায়িত্ব পালনের লক্ষ্যে এই ব্যবস্থা করা হয়েছে।