

ঈদুল আজহা সামনে রেখে জমে উঠেছে দিঘীরপাড় বাজারের পশুর হাট। তবে এ বছর হাটে দেখা গেছে এক ভিন্ন চিত্র—পশুর সংখ্যা অনেক হলেও ক্রেতার সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম। ফলে দামেও এসেছে কিছুটা পতন।
হাট ঘুরে দেখা গেছে, ছোট ও মাঝারি সাইজের গরু ও ছাগলের সংখ্যা প্রচুর। অনেক খামারি ও গ্রামীণ পশু পালনকারীরা তাদের পশু নিয়ে হাটে হাজির হয়েছেন ভোর থেকেই। তবে প্রত্যাশিত পরিমাণে ক্রেতা না আসায় হতাশ বিক্রেতারা।
স্থানীয় এক পশু বিক্রেতা বলেন,
“আমি গত সপ্তাহেও একটি হাটে গরু নিয়ে গিয়েছিলাম, দাম উঠেছিল খুব কম। আজ দিঘীরপাড় বাজারেও একই অবস্থা। দাম বললে ক্রেতারা হাঁটতেই চান না।”
অন্যদিকে, কিছু ক্রেতা জানিয়েছেন যে, দাম কম হলেও পশুর মান এবং স্বাস্থ্যগত দিক যাচাই না করেই অনেক পশু আনা হয়েছে। তাই তারা সাবধানে কিনতে চাইছেন।
হাট কমিটির একজন সদস্য জানান,
“আমরা চেষ্টা করছি যেন হাটে যথাযথ নিয়ন্ত্রণ থাকে এবং স্বাস্থ্যসম্মত পশু কেনাবেচা হয়। তবে এ বছর বিভিন্ন এলাকায় হাট বেশি হওয়ায় ক্রেতা কিছুটা কম।”
বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের বিভিন্ন স্থানে একাধিক হাট বসানো, খামারিদের সরাসরি অনলাইন বিক্রয় উৎসাহিত হওয়া এবং অর্থনৈতিক চাপে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়াও এর পেছনে কারণ হতে পারে।
সব মিলিয়ে, দিঘীরপাড় বাজার পশুর হাটে এবার বিক্রেতা বেশি, কিন্তু ক্রেতা কম থাকায় দাম কিছুটা কমতির দিকেই রয়েছে। তবে ঈদের আগের কয়েক দিন জমজমাট বেচাকেনার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছেন না সংশ্লিষ্টরা।
