• ঢাকা
  •    রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১২:১৭ এএম


শেরপুরে আবারও ৭ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ, মূলহোতা নিয়ে প্রশ্ন

আপডেট টাইম: July 23, 2026 8:33 pm




মোঃ ফাহাদ আহমদ, নিজস্ব প্রতিবেদক:

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের শেরপুর গোলচত্বর যেন বারবার একই প্রশ্ন ছুড়ে দেয়- পুলিশের হাতে ধরা পড়ে শুধু ভারতীয় চোরাচালানের পণ্যবাহী গাড়ি ও চালক, কিন্তু বছরের পর বছর সীমান্ত পেরিয়ে অবৈধ ভারতীয় পণ্য এনে বাজারে ছড়িয়ে দেওয়া মূলহোতারা কোথায়?

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার নিয়ন্ত্রণাধীন শেরপুর পুলিশ ফাঁড়ির অভিযানে একটি ডিআই পিকআপ থেকে ৭ লাখ ৪৩ হাজার ৪০০ টাকার ভারতীয় কাভেরী মেহেদি ও পিউর সআন পাপডি জব্দ করা হয়েছে। এ সময় গাড়িতে থাকা গোয়াইনঘাট উপজেলার ইমরান আহমদ (৩০) ও আল-আমিন (২৫) নামের দুজনকে আটক করা হয়।

পুলিশ জানায়, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের শেরপুর গোলচত্বর এলাকায় ভাই ভাই হোটেলের সামনে ত্রিপল দিয়ে মোড়ানো ঢাকা মেট্রো-ন-১৯-০৬২৭ নম্বরের পিকআপটি থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। পরে ভারতীয় এসব পণ্য উদ্ধার করা হয়।

শেরপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মোঃ ওবায়দুল্লাহ বলেন, চোরাচালানের মূলহোতাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ বদ্ধপরিকর।

তবে স্থানীয়দের প্রশ্ন, এটি নতুন কোনো ঘটনা নয়। ঢাকা-সিলেট মহাসড় হয়ে শেরপুর হয়ে দীর্ঘদিন ধরেই ভারতীয় পণ্যের অবৈধ পরিবহনের অভিযোগ রয়েছে। মাঝেমধ্যে চালান আটক হলেও একই রুটে আবারও নতুন চালান ধরা পড়ছে। এতে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে সরকারের বিপুল রাজস্ব হারানোর পাশাপাশি সংঘবদ্ধ চোরাচালানচক্রের সক্রিয়তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

স্থানীয়দের মতে, কেবল বাহক বা পরিবহন আটক করলেই চোরাচালান বন্ধ হবে না। যারা অর্থায়ন করে, সীমান্ত থেকে পণ্য এনে বাজারজাত করে এবং পুরো নেটওয়ার্ক পরিচালনা করে, তাদের আইনের আওতায় না আনলে একই চিত্র বারবার ফিরে আসবে।