

মৌলভীবাজারে ডাকাতির ঘটনার মামলায় ৭ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় পুলিশ সুপার কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছেন জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) নোবেল চাকমা পিপিএম।
এ সময় প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের জানানো হয়- মৌলভীবাজার সদর উপজেলার শেরপুর ঈদগাহ রোডস্থ আবাসিক এলাকায় গত ৩ ফেব্রুয়ারি রাতে একদল ডাকাত এমদাদ মোহাম্মদ সিরাজের বসতঘরের গেইটের তালা কেটে ঘরে ঢুকে পড়ে। এ সময় ডাকাতদল ২৩ ভরি স্বর্ণালংকার মূল্য, অনুমান ২৩ লাখ এবং নগদ ৬ লাখ ৯ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায়।
ঐ ঘটনায় মামলা হলে- শেরপুর ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ এসআই শিপু কুমার দাস মামলার তদন্তকারী অফিসারের দায়িত্ব পালন করেন। পরে পুলিশ সিলেট বিভাগের বিভিন্ন জেলায় কৌশলে অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযানকালে- পুলিশ সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর থানার কামরাখাইর গ্রামের ময়না মিয়ার ছেলে মো. রায়হান মিয়া (২৫), সিলেট জেলার বিশ্বনাথ থানার নওধার পূর্বপাড়া গ্রামের মৃত. ইদ্রিস মিয়ার ছেলে আক্কুল মিয়া ওরফে আকুল (৩৪), হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ থানার পারকুল গ্রামের সঞ্জব উল্লাহর ছেলে মো. আফাজ মিয়া (৪৯), সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর থানার কামরাখাইর গ্রামের মৃত. সুজাত মিয়ার ছেলে মো. মনর মিয়া (৫৫), অশোক কুমার দে (৪০), সিলেট জেলার ওসমানীনগর থানার মোবারকপুর গ্রামের মৃত নূর মিয়ার ছেলে তোফায়েল আহমদ তোফা (৩৬) এবং দিনেশ কর্মকারকে (৬৫) গ্রেফতার করে।

এ সময় গ্রেফতারকৃতদের দেওয়া তথ্যমতে বিভিন্ন স্থান থেকে ২ টি পাইপগান, ৬ রাউন্ড কার্তুজ, ১ টি হাইড্রোলিক কাটার, ১ টি তালা ভাঙার শাবল, ডাকাতির সময় ব্যবহৃত মুখোশ, ৪ ভরি ৭ আনা স্বর্ণাংলংকার, ৮ লাখ ৬ হাজার ৯৮২ টাকা, ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেট কার, একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার পূর্বক জব্দ করে পুলিশ। প্রেস ব্রিফিংয়ে আরও জানানো হয়, ডাকাতির ঘটনায় জড়িত অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারের তৎপরতা অব্যাহত আছে।
